Home টেক শিক্ষক জাগো ফাউন্ডেশনের কড়াইল স্কুলে অ্যাকমি এআই-এর এআই লিটারেসি সেশন

জাগো ফাউন্ডেশনের কড়াইল স্কুলে অ্যাকমি এআই-এর এআই লিটারেসি সেশন

আন্তর্জাতিক গার্লস ইন আইসিটি ডে ২০২৬উপলক্ষে অ্যাকমি এআই লিমিটেড এবং জাগো ফাউন্ডেশন-এর যৌথ উদ্যোগে জাগো ফাউন্ডেশন-এর কড়াইল স্কুলের কিশোরী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি এআই লিটারেসি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মৌলিক ধারণার সাথে পরিচিত করা এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ও নৈতিক ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা।

সেশনটিতে শুধুমাত্র এআই কী এই ধারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ পরিবেশ তৈরি করা হয়, যেখানে তারা জানতে পারে এআই কীভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবন ও ভবিষ্যতের সুযোগগুলোকে প্রভাবিত করছে। আলোচনার বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল এআই-এর ভিত্তি, নৈতিক দিক, নিরাপদ ব্যবহার এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে সচেতন ডিজিটাল নাগরিক হয়ে ওঠার গুরুত্ব।

কৌতূহল ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে এই সেশনটি শিক্ষার্থীদের এআই-এর সুযোগ ও ঝুঁকি উভয়ই বুঝতে সহায়তা করে এবং তাদেরকে আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে।

“মেয়েদের এআই সম্পর্কে জানানো শুধু প্রযুক্তি শেখানো নয়, এটি অন্তর্ভুক্তি ও ক্ষমতায়নের বিষয়,” বলেন সুমাইয়া সিদ্দিকি, স্ট্র্যাটেজিক সাপোর্ট লিড, অ্যাকমি এআই লিমিটেড “যখন মেয়েরা এআই কীভাবে কাজ করে এবং কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে হয় তা বোঝে, তখন তারা ডিজিটাল বিশ্ব গঠনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার আত্মবিশ্বাস পায়। এই সেশনটি তাদেরকে প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নয়, বরং নির্মাতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হিসেবে গড়ে তুলতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

একই বিষয়ে অপূর্ব কর্মকার, লিড ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট, জাগো ফাউন্ডেশন বলেন, “জাগো ফাউন্ডেশন-এ আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হওয়া জরুরি। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এআই লিটারেসি অন্তর্ভুক্ত করা মানে আমাদের শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে মেয়েদের, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা। এ ধরনের অংশীদারিত্ব ডিজিটাল বিভাজন কমাতে সহায়তা করে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করে।”

জাগো ফাউন্ডেশন বাংলাদেশজুড়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে এবং ডিজিটাল শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে শিক্ষাগত বৈষম্য কমাতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ।

এই উদ্যোগটি মানসম্মত শিক্ষা, লিঙ্গ সমতা এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির প্রতি একটি যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। কারণ, সঠিক জ্ঞান ও দক্ষতা দিয়ে সজ্জিত হলে মেয়েরা শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করে না, তারা প্রযুক্তিকে গড়ে তোলে।

Exit mobile version