ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড দিলো বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম

Digital Marketing Award

দেশের স্বনামধন্য ১২৫টি উদ্যোগকে ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড দিলো বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগকে সম্মানিত করা হয়। মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পৃষ্ঠপোষকতায় অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের সহযোগী ছিল ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। পঞ্চম বারের মতো আয়োজিত এই সম্মাননা অনুষ্ঠানের সমাপনী আয়োজনে দেশের ৫ শতাধিক ডিজিটাল মার্কেটিং উদ্যোগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডের চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বাছাই করতে নেয়া হয়েছিল ব্যাপক প্রস্তুতি। এতে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং-এর বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকের উদ্যোগগুলো অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। এবছর প্রাথমিক আবেদন জমা পড়ে এক হাজারেও বেশি। সেখান থেকে নয়টি জুড়ি বোর্ডের বিচারে ৪৭৪ ডিজিটাল মার্কেটিং উদ্যোগ বাছাই করা হয়। সেখান থেকে ১২৫টি মার্কেটিং উদ্যোগকে নয়টি পর্বের বিচার শেষে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।

এই বছর ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী ১২৫ টি উদ্যোগ চারটি ধাপে ১৮টি আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত করা হয়। যাদের মধ্যে ১৫ মার্কেটিং উদ্যোগকে স্বর্ণ, ৪৬টিকে রৌপ্য এবং ৬৪টিকে ব্রোঞ্জ পদক দেয়া হয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশে ব্র্যান্ড ফোরামে পরিচালক নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা বলেন, ডিজিটাল এবং ভৌত কাঠামোর দ্বৈত অস্তিত্বের যুগে আমাদের মানবিক আবেগকে আরও সক্রিয় করতে হবে। ডিজিটাল উদ্ভাবন ও সুযোগ পরবর্তী যুগ ও সম্ভাবনাকে উন্মোচন করতে হবে। এজন্য কৌশল সম্বলিত সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

পঞ্চম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড ২০২০-২১ আয়োজনের আগে অষ্টম ডিজিটাল সামিট অনুষ্ঠিত হয়। এই সামিট বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে ২০১৪ সালে সর্বপ্রথম শুরু হয়। যা দেশের ডিজিটাল মার্কেটারদের জন্য সর্বোচ্চ প্ল্যাটফর্ম। এই বছরের ডিজিটাল সামিটে ৪০০ জনেরও বেশি পেশাদার অংশগ্রহণ করেছিলেন।

‘ফিউচার প্রুফিং ডিজিটাল স্ট্রাটেজি’ স্লোগানে এই সামিট হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল অধিগ্রহণের উন্নত পদ্ধতি এবং বুদ্ধিমান বিপণনের জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া। যাতে করে ক্রমবর্ধমান বাজারে কীভাবে তারা ভবিষ্যতে পরিবর্তনশীল কৌশলগুলো প্রমাণ করতে পারে।

ডিজিটাল সামিটে ৬টি কিনোট সেশন ছিল। এতে ৪টি প্যানেল আলোচনা, ৩টি ইনসাইট সেশন এবং ২টি কেস স্টাডিজ নিয়ে আলোচনা হয়। এসব সেশন ও আলোচনায় পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

বিশেষজ্ঞদের তালিকায় ছিলেন গ্রামীণফোন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান, টেলিকম বিশেষজ্ঞ মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র ডক্টরাল ক্যান্ডিডেট নাজমুল করিম চৌধুরী, দারাজ বাংলাদেশের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা তাজিন হাসান, ইউনিলিভার বাংলাদেশের বিপণন পরিচালক তানজীন ফেরদৌস, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্র্যান্ডস বিভাগের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার কাজী মহিউদ্দিন, বিকাশের ভাইস প্রেসিডেন্ট, হেড অব ডিজিটাল মার্কেটিং আশানুরু রহমান প্রমুখ।

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত পঞ্চম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড এবং অষ্টম ডিজিটাল সামিট আয়োজনে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, সহযোগী ছিল দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। এছাড়াও অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সহ অংশীদার হিসেবে ছিল-দারাজ, ওয়ালটন, অ্যাডফিনিক্স, এসকিমি। কৌশলগত অংশদীর ছিল-বাংলাদেশ ক্রিয়েটিভ ফোরাম। নলেজ পার্টনার ছিল-মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ(এমএসবি), টেকনোলজি পার্টনার ছিল-আমরা। মিডিয়া পার্টনার ছিল-চ্যানেল আই অনলাইন। জনসংযোগ বাস্তবায়নকারী হিসেবে ব্যাকপেজ পিআর অংশ নিয়েছিল।

*

*