বাংলাদেশে এবার ‘১ আওয়ার সার্ভিস’ উদ্যোগের মাধ্যমে কাস্টমার-কেয়ার সার্ভিসে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। এই সার্ভিসের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি ব্যবহারকারীদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আফটার-সেলস সাপোর্ট নিশ্চিত করার পাশাপাশি, স্মার্টফোন ব্যবহারের সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে সহজ ও উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
রিয়েলমির সাম্প্রতিক সার্ভিস পারফরম্যান্স ডেটা অনুযায়ী জানা যায়, অফিসিয়াল সার্ভিস সেন্টারে আসা প্রায় ৯৭ শতাংশ ক্রেতা মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের ডিভাইসের সম্পূর্ণ সার্ভিসিং গ্রহণ করছেন। এখানে, ডিভাইসটি সার্ভিস ডেস্কে জমা দেওয়ার মুহূর্ত থেকে শুরু করে ক্রেতাদের হাতে ফেরত দেওয়া পর্যন্ত পুরো সময়টাই ‘সার্ভিসিং টাইম’ হিসেবে গণনা করা হয়। ফলে, সম্পূর্ণ রিপেয়ার প্রসেসটি ৬০ মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন করা হয়।
এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে একাধিক কার্যকর অপারেশনাল উন্নয়ন। এর মধ্যে রয়েছে রিয়েল-টাইম এসএলএ মনিটরিং, ইফিশিয়েন্ট স্পেয়ার পার্টস ম্যানেজমেন্ট, ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়মিত কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন। এছাড়াও, ব্র্যান্ডটি সার্ভিসের গুণগত মান ও গতি বজায় রাখতে নিয়মিত পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ নিশ্চিত করেছে, যাতে ক্রেতারা অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব ছাড়াই দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সেবা পান।
এ বিষয়ে রিয়েলমি বাংলাদেশের আফটার-সেলস অপারেশনস ম্যানেজার মো. আল-মামুন বিশ্বাস বলেন, “ওয়ান-আওয়ার সার্ভিস আমাদের জন্য কেবল একটি লক্ষ্য নয়; এটি একটি অপারেশনাল কমিটমেন্ট। ক্রেতারা সার্ভিসিংয়ের জন্য আমাদের কাছে ডিভাইস জমা দেওয়ার পর থেকে শুরু করে তা ফেরত পাওয়া পর্যন্ত পুরো সময়টি আমরা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করি। ফোন মেরামতের পাশাপাশি, ক্রেতাদের সময়কে সমানভাবে মূল্য দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”
ইতোমধ্যেই ক্রেতারা এই সার্ভিসের সুফল পেতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি, ঢাকার একটি সার্ভিস সেন্টারে ডিসপ্লেজনিত সমস্যা নিয়ে আসা একজন ক্রেতা জানান যে, তিনি ভেবেছিলেন এটি ঠিক করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। কিন্তু, মাত্র ৫০ মিনিটের মধ্যে তার ফোনটি মেরামত করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়; যা তাকে সেবার গতি ও মান নিয়ে সন্তুষ্ট করেছে।
রিয়েলমির সকল অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারে এই বিশেষ ‘১ আওয়ার সার্ভিস’ কার্যকর করা হয়েছে। ফলে, দেশের যেকোনো স্থান থেকে ক্রেতারা অভিন্ন ও নির্ভরযোগ্য সেবা পাচ্ছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রিয়েলমি ক্রেতাদের সন্তুষ্টির প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি, বাংলাদেশের স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রির আফটার-সেলস সার্ভিসে এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।



