ইফতারের সময় ঘরের বাইরে থাকা রোজাদার যাত্রী ও ভ্রমণকারীদের প্রতি সহমর্মিতার প্রকাশ হিসেবে সারা দেশে ইফতার বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। রমজানের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া এ উদ্যোগ পবিত্র মাসজুড়ে প্রতিদিন চলবে।
এই কর্মসূচির আওতায় দেশের ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ যাতায়াতকেন্দ্রে কিয়স্ক স্থাপন করে ইফতার বিতরণ করা হবে। বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট ও বিমানবন্দরের প্রবেশপথে বসানো এসব কিয়স্ক থেকে পথচারী ও যাত্রীদের মধ্যে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।
পবিত্র এই মাসে যখন ঘরে ঘরে ইফতারের প্রস্তুতি চলে, তখনও হাজারো মানুষ রাস্তায় বা যাত্রাপথে থাকেন। বিশেষ করে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল, কামালাপুর রেলওয়ে স্টেশন, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ও কক্সবাজার বাসস্ট্যান্ডের মতো ব্যস্ত কেন্দ্রগুলোতে এ চিত্র আরও বেশি চোখে পড়ে। যানজটে আটকে পড়া যাত্রী, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা শেষে ফেরা শ্রমজীবী মানুষ, টার্মিনালে অপেক্ষমাণ ভ্রমণকারী কিংবা পরিবার নিয়ে ভিড় ঠেলে এগোনো সাধারণ মানুষ, অনেকেরই ইফতার শুরু হয় বাসার ডাইনিং টেবিলে নয়, বরং রাস্তায়।
এই বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলালিংক চেষ্টা করছে, ঘরের বাইরে থাকা রোজাদাররা যেন ঠিক সময়েই ইফতারসামগ্রী হাতে পান।
এ উদ্যোগ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “রমজান আমাদের সমাজে সহমর্মিতা, উদারতা ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। শহুরে ব্যস্ততা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ হচ্ছে যাতায়াতের সময়; ফলে ইফতারের সময় ঘরের বাইরে থাকা মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। ‘পিপল ফার্স্ট’ অপারেটর হিসেবে আমরা মানুষের এই দৈনন্দিন বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিই। চলার পথে থাকা রোজাদারদের হাতে ইফতারসামগ্রী তুলে দেওয়ার এই উদ্যোগ সেই অঙ্গীকারেরই অংশ। আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হলেও এটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ একটি প্রচেষ্টা। কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানুষের জীবনের বাস্তব মুহূর্তগুলোতে আন্তরিকতা, সম্মান ও সহমর্মিতা নিয়ে তাদের পাশে থাকাই আমাদের লক্ষ্য।”



