হুয়াওয়ের প্রতারণা

Bench Mark

বেঞ্চমার্ক স্কোর- মুলত এটি হলো স্মার্টফোনের হার্ডওয়্যার ও গ্রাফিক্স পারফরমেন্স ও পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়ের আদি অন্ত। তাই স্মার্ট ক্রেতারা ফোন কেনার আগে এই বিষয়গুলো বিশেষভাবেই ঘেটেঁ দেখেন। আর তাই স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের স্মার্টফোনের প্রচারণার জন্য বেঞ্চমার্ক স্কোরকে বিশেষভাবে তুলে ধরে।

তবে এবার বেঞ্চমার্ক স্কোর প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে হুয়াওয়ের দিকে। পাশাপাশি অভিযোগ রয়েছে হুয়াওয়ের অঙ্গ সংগঠন অনারের বিরুদ্বে। শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট আনন্দ টেকের বরাত দিয়ে  দ্য ভার্জে (https://www.theverge.com/circuitbreaker/2018/9/6/17828534/huawei-benchmarks-rigged-p20-3dmark-ai) সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখে  (শিরোনা : Huawei caught cheating benchmark test for P20 )প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এ বছর বাজারে আসা হুয়াওয়ে পি২০ ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের বেঞ্চমার্ক স্কোর বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল। থ্রিডিমার্ক নামক একটি বেঞ্চমার্ক স্কোরিং অ্যাপ ব্যবহার করে নির্ণীত স্কোরের ক্ষেত্রে হুয়াওয়ে এ প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছিল বলেও জানিয়েছে দ্য ভার্জ। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে থ্রিডি মার্কের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউএল। হুয়াওয়ে বেঞ্চমার্ক স্কোরে এ প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে, এমন প্রমাণ পাওয়ায় পরবর্তী সময়ে ইউএলের বেঞ্চমার্ক লিস্ট থেকে হুয়াওয়ের এ স্মার্টফোনটি অপসারণ করা হয়। শুধু পি২০ নয়, একই অভিযোগে হুয়াওয়ে পি২০ প্রো, হুয়াওয়ে নোভা ৩ এবং অনার প্লে স্মার্টফোনগুলোও তালিকা থেকে বাদ দেয় ইউএল। প্রতিষ্ঠানটি বিবৃতিতে আরো জানায়, থ্রিডিমার্ক অ্যাপ ব্যবহারে যে নীতিমালা রয়েছে, হুয়াওয়ে সেটি লঙ্ঘন করেছে। এমনকি অভ্যন্তরীণভাবে ইউএল যে পরীক্ষা চালিয়েছে, সেখানে হুয়াওয়ের এ স্মার্টফোনগুলোর স্কোর ছিল খুবই কম।

শুধু বেঞ্চমার্কেই নয়, ক্যামেরা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগও আছে হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে। ডিজিটাল এসএলআর ব্যবহার করে তোলা ছবিকে নোভা থ্রি স্মার্টফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরায় তোলা ছবি বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে অ্যান্ড্রয়েড বিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে।তবে হুয়াওয়েই নয় শুধু, এমন অভিযোগ আছে চীনের অপর স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অপোর বিরুদ্ধেও।

*

*