স্মার্টফোনের আন্তর্জাতিক শিপমেন্টে দ্বিতীয় অবস্থানে অপো

oppo

ইন্টারন্যাশনাল ডাটা কর্পোরেশন (আইডিসি)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে প্রতি বছর স্মার্টফোনের শিপমেন্ট হার শতকরা ১ ভাগ করে কমে যাচ্ছে। ২০১৭ সালেও একই চিত্র। তবে স্মার্টফোনের সার্বিক শিপমেন্টের হার কমলেও, বেড়েছে ফোর-জি সমর্থিত ও মধ্যম-মানের ফোনের শিপমেন্ট হার। আর এক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে অপো।

তথ্য প্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ এবং কনজ্যুমার প্রযুক্তি বাজারের জন্য মার্কেট ইন্টেলিজেন্স, পরামর্শ সেবা এবং ইভেন্ট আয়োজনে একটি প্রিমিয়ার আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হলো আইডিসি। বিশ্বব্যাপী ১,১০০ জন বিশ্লেষক নিয়ে গঠিত আইডিসি, প্রযুক্তি ও শিল্প-সম্ভাবনা বিষয়ে ১১০টিরও বেশি দেশে আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিশ্লেষণমূলক কাজ করে থাকে।

২০১৬ সালে অপো’র শিপমেন্ট হার ছিল ১৩.৩, যা ২০১৭ সালে বেড়ে হয়েছে ১৭.২ এবং ২০১৬ সালে অপো’র মার্কেট শেয়ার ছিল ১৩.২%, যা ২০১৭ সালে বেড়ে হয়েছে ১৭%। অন্যদিকে ২০১৭ সালে ভিভো, হুয়াওয়ে এবং অ্যাপল-এর শিপমেন্ট হার ছিল যথাক্রমে ৭.২, ৫.৪ ও ৪.৫, যা ২০১৬ সালে ছিল যথাক্রমে ৩.৩, ৫.২ ও ৪.৬। ২০১৭’তে ভিভো, হুয়াওয়ে এবং অ্যাপল-এর মার্কেট শেয়ার ছিল যথাক্রমে ৭.২%, ৫.৪% ও ৪.৪%, যা ২০১৬’তে চিল যথাক্রমে ৩.২%, ৪.২% ও ৫.১%।

অপো বাংলাদেশ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড্যামন ইয়াং বলেন, “সেলফি এক্সপার্ট এন্ড লিডার হিসেবে অপো সবসময় তার গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। আর একারণেই অপো’র ফোর-জি সমর্থিত ও মধ্যম-মানের স্মার্টফোনগুলো এতো অল্প সময়ের মধ্যে ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।”

সেলিব্রেটি এন্ডোরসমেন্ট এবং ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে অপো তাদের ব্র্যান্ড-এর প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে, যা অপো’র ফোর-জি সমর্থিত ও মধ্যম-মানের স্মার্টফোনগুলোর শিপমেন্ট হার বাড়ার অন্যতম একটি কারণ।

*

*