শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিয়ে গ্রামীণফোন, আইএসডি ও ডিপিএস’র অনলাইন সেমিনার

online seminar

শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিয়ে যৌথভাবে অনলাইন সেমিনার আয়োজন করলো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা এবং ডিপিএস এসটিএস স্কুল ঢাকা। সম্প্রতি, গ্রামীণফোনের সহায়তায় সবার জন্য উন্মুক্ত এ ভার্চুয়াল সেশনটি অনুষ্ঠিত হয়। শিশুদের সঠিক ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা গ্রহণে নিরাপদ ও ভারসাম্যপূর্ণ ডিজিটাল স্পেস তৈরির মূল্য প্রতিপাদ্যে ওয়েবিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে শিক্ষা কার্যক্রমসহ বাসা থেকে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিতে শিশুরা নানা মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এক্ষেত্রে, শিশুরা নানা প্রতিকূলতারও মুখোমুখি হচ্ছে। শিশুদের এ প্রতিকূলতা দূর করতে সহায়তায় গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস খায়রুল বাশার ওয়েবিনারের এ সেশনটি পরিচালনা করেন। সেশনে তিনি বাবা-মায়ের সঠিক তত্ত্বাবধান এবং ডিজিটাল কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের রক্ষণাবেক্ষন নিয়ে আলোচনা করেন। স্কুল দু’টির কয়েক শ’ বাবা-মা অনুষ্ঠিত এ ওয়েবিনারে অংশগ্রহণ করেন।

গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস খায়রুল বাশার বলেন, ‘আমরা অফিস করাকে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ -এ রূপান্তর করেছি। স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার জন্য স্কুল বন্ধ হয়েছে, পাশাপাশি উন্মোচিত হয়েছে অনলাইন শিক্ষার সুযোগ এবং একেই আমরা বলছি নতুন স্বাভাবিকতায় বাঁচা। শেখার জন্য এবং ইতিবাচকভাবে আমাদের নিজেদের বিকাশে ইন্টারনেটে জ্ঞানের বিশ্ব রয়েছে। যেহেতু, সকল সরাসরি সেবা এখন ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়েছে; আমাদের শিশুদের জন্যও এর সুযোগ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু, শিশুদের জন্য এ সুযোগ নিশ্চিতে নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে; আর এক্ষেত্রে শিক্ষক, বাবা-মা এবং ভাই-বোনদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।’

সেশনে ইন্টারনেটের বৈশ্বিক ব্যবহার ও সাইবার বুলিং নিয়ে আলোচনা করা হয়। শুধুমাত্র এপ্রিল মাসেই ৫০ হাজার বছরের সমপরিমাণ সময় মিডিয়া লাইভ স্ট্রিম করা হয়; গুগল মিট অনুযায়ী, প্রতিদিন অনলাইন সেশনের জন্য ৩ হাজার ৮শ’ বছরের সমপরিমাণ সময় ব্যয় করা হয়েছে। স্মার্টফোন ও ফোন ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে ৭০ শতাংশ, ল্যাপটপ ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে ৪০ শতাংশ এবং পিসি ও ডেস্কটপ ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে ৩২ শতাংশ। বৈশ্বিকভাবে ব্রডব্যান্ড ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে ৪৭ শতাংশ।

একইসাথে ৮৭ শতাংশ তরুণ সাইবার বুলিং- এর শিকার হয়েছে এবং ৬০ শতাংশ শিশু সাইবার ঝুঁকির মুখে পড়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে এক তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী সপ্তাহে অন্তত একবার হলেও সাইবার বুলিং এর শিকার হয়েছে। এক্ষেত্রে, মেয়ে শিক্ষার্থীরা ছেলে শিক্ষার্থীদের চেয়ে তিনগুণ বেশি সাইবার বুলিং -এর শিকার হয়েছে।

*

*