বন্যাদুর্গতদের জন্য হুয়াওয়ের ত্রাণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

Huweai

কোভিড-১৯ সৃষ্ট বৈশ্বিক মহামারির কারণে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও মারাত্মক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছে। এর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে বন্যা পরিস্থিতি এ দুর্যোগকে আরও কঠিন করে তুলেছে; তৈরি করেছে খাবারের সঙ্কট এবং মানুষকে করেছে আশ্রয়হীন। এ পরিস্থিতিতে, হুয়াওয়ে নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ীতে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে হুয়াওয়ের আয়োজনে আজ একটি অনলাইন সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ী উপজেলার ইউএনও এ এইচ এম আরিফুল ইসলামের কাছে প্রতীকিভাবে ত্রাণ সামগ্রী হস্তান্তর করে হুয়াওয়ে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ঝ্যাং ঝেংজুন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-সচিব সেবাস্তিন রেমা (ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী) এবং হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের টেকনিক্যাল অফিসার জেরি ওয়্যাংশিউ-সহ হুয়াওয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমি এ উদ্যোগের জন্য হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাই। দেশের মানুষের প্রয়োজনে তারা এগিয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় হুয়াওয়ে শুধু প্রযুক্তি সেবাদানই করে না, পাশাপাশি এ অঞ্চলের মানুষের প্রয়োজনে পাশে এসে দাঁড়ায়। এ প্রচেষ্টার জন্য আমি হুয়াওয়ে কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন জানাই। আমি আশা করছি, ভবিষ্যতেও তারা এটা অব্যাহত রাখবে।’

হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ঝ্যাং ঝেংজুন বলেন, ‘বন্যাদুর্গত এলাকায় জীবনের উন্নয়নে এ ত্রাণ সহায়তা কার্যকম আমাদের সামগ্রিক প্রচেষ্টার অংশ। আমরা সবসময় মানুষের জীবনের মানোন্নয়নে প্রচেষ্টা চালাই। বাংলাদেশে লোকালাইজড গ্লোবাল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা গর্বিত এবং যেখানে হুয়াওয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেখানে কমিউনিটির প্রতি দায়বদ্ধতা পূরণে আমরা সদা তৎপর এবং ভবিষ্যতে আমরা এক্ষেত্রে আরও অবদান রাখতে চাই। এছাড়াও, আমাদের কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনে অবদান রাখতে আমরা সর্বদা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

এ এইচ এম আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছরও খালিয়াজুড়ী উপজেলা বন্যায় আক্রান্ত হয় এবং সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসে হুয়াওয়ে। প্রতিষ্ঠানটি দুই হাজার ইউনিট শুকনো খাবার সহায়তা দেয় এবং এ বছরও হুয়াওয়ে এ অঞ্চলে মানুষদের সহায়তায় দুই হাজার ইউনিট শুকনা খাবার এবং সমপরিমান ফেসমাস্ক দিয়েছে যা বর্তমান সময়ে খালিয়াজুড়ী উপজেলার মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। খালিয়াজুড়ী উপজেলার পক্ষ থেকে আমি হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ঝ্যাং ঝেংজুনকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।’

বন্যার্ত মানুষের সহায়তায় আগামী ২৬ আগস্ট খালিয়াজুড়ীর অনেক পরিবারের মধ্যে হুয়াওয়ে নানা ধরণের শুকনো খাবার বিতরণ করবে।

*

*