পাঠাও অ্যাপের দ্বিতীয় সংস্করন

pathaw app

উন্মোচিত হয়েছে পাঠাও অ্যাপের দ্বিতীয় সংস্করন।  কাছাকাছি দূরত্বে যে সব রেস্টুরেন্টে ঝালমুড়ি, মিষ্টি বা চটপটি পাওয়া যায়, সেগুলোও সরবরাহ করছে পাঠাও।  তিন চার কিলোমিটারের মধ্যে সাইক্লিস্টদের একটি সক্রিয় গ্রুপ রয়েছে, যারা সর্বদাই প্রস্তুত থাকে খাবারের অর্ডার পৌছে দিতে।   

পাঠাও ফুড- এর দ্বিতীয় এই সংস্করণটি এমনভাবে তৈরি যাতে খাবার খুজে বের করার অভিজ্ঞতা আরও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে। পাঠাও ফুড অ্যাপটি খুললেই থাকছে ডিসকভারি পেজ। অ্যাপের ডিজাইনে পরিবর্তন আনার কারনে অ্যাপটি চালানো এখন আরও অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে।

পাঠাও ফুডের নতুন ফিচারগুলোর একটি হচ্ছে “কালেকশনস”। এই কালেকশনে থাকছে ব্যবহারকারীর পছন্দের রেস্টুরেন্টসমুহ এবং এর সাথে থাকছে নতুন রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে পরামর্শ। এই অ্যাপ বিভিন্ন স্থানের রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের অবগত করবে এবং ইতিমধ্যে পাঠাও ব্যবহারকারীদের মধ্যে জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টসমুহের তালিকা সরবরাহ করবে।

এর প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যবহারকারীদের নতুন এবং আকর্ষনীয় অফারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। সহজভাবে রেস্টুরেন্ট খুঁজে বের করার জন্য ব্যবহারকারীর পছন্দের খাবারের রেস্টুরেন্টগুলোকে একসাথে গ্রুপে রাখা হবে।

নতুন খাবার খুঁজে বের করার সময় ব্যবহারকারীরা অন্য ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে বেশি সন্ধান করা রেস্টুরেন্ট / খাবার দেখতে পারবেন। এটি একটি রেকোমেন্ডেশন টুল হিসেবে কাজ করবে, যা খাবার সন্ধান অভিজ্ঞতাকে আরও আনান্দদায়ক করে তুলবে।

পাঠাও এর সিইও হুসেইন এম ইলিয়াস বলেছেন, “ট্রাফিক কে হার মানানো থেকে শুরু করে ক্ষুধা মেটানো পর্যন্ত Ñ আমরা সবসময় চেষ্টা করছি আমাদের অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জীবনকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে।

নতুন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা শুধু খাদ্যরসিকদের চাহিদার যোগান দিচ্ছি না, সাথে হাজার হাজার পাঠাও রাইডারদের জীবিকার ব্যবস্থা করছি এবং অসংখ্য ফুড আউটলেটের ব্যবসায় টিকে থাকারও সুযোগ করে দিচ্ছি। পাঠাও ফুড একটি স্থানীয় সল্যুশন, যা স্থানীয় মানুষদের দিয়ে তৈরি স্থানীয় মানুষ ও ব্যবসার জন্য।’’

*

*