ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস হলে ৫৭ ধারা বিলুপ্ত হবে: মোস্তাফা জব্বার

mostofa

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী  মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাশ হলে আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারা বিলুপ্ত হবে। তিনি আরও বলেন, তবে এই ধারায় দায়েরকৃত পূর্বের মামলাগুলো যথা নিয়মে চলবে। নতুন এ আইনের  ৩২ ধারায় গুপ্তচরবৃত্তি শব্দ থাকবে না। এ আইন বাক স্বাধীনতা হরণের জন্য নয়, ডিজিটাল অপরাধ দমনের জন্য। বিশ্বে বাংলাদেশেই প্রথম এ আইন তৈরী করতে যাচ্ছে।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদের আদলে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী  মোস্তাফা জব্বার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আয়োজক সংগঠন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে দায়িত্বশীল করতে আইনী নিয়ন্ত্রন বিষয়ক এ প্রতিযোগিতায় নর্থ সাউথ বিশ^বিদ্যালয়কে পরাজিত করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিজয়ী হয়। বিতর্ক অনুষ্ঠানটি রাজধানীর তেঁজগাওস্থ এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়। এবারের এই জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহনের সুযোগ পাবে।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার্যকর হবার পর দেশে বিদ্যমান আরো কিছু আইনের সংশোধন প্রয়োজন হতে পারে। তথ্য অধিকার আইনে বর্নিত নাগরিক অধিকার সমুন্নত রেখেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন তৈরী করা হচ্ছে। দুর্নীতি বিরোধী সংবাদ পরিবেশনের জন্য এ আইন অন্তরায় হবে না, তবে অফিসিয়াল সিক্রেসি এ্যাক্ট লংঘন  শাস্তি যোগ্য  বলে বিবেচিত হবে। তিনি আরো বলেন ডিজিটাল অপরাধ কমাতে আইনী কাঠামোর পাশাপাশি ব্যাপক জনসচেতনতা প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রন করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের টার্গেট নয় বরং ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রনই মূল লক্ষ্য। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমেই ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ সড়কের দাবীতে আন্দোলনের সময় যারা গুজব ছড়িয়েছেন, তাদের সবাইকে প্রযুক্তির মাধ্যমে চিহ্ণিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। গুজব ছড়ানোকারীদের আইপি  ঠিকানা ও মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি করতে সক্ষম হওয়ায় তিনি আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে  ধন্যবাদ জানান।

*

*