Thursday, May 23, 2024
spot_img
Homeইভেন্টটিম স্মার্টকে পূর্ণ প্যানেলে রায়ের পক্ষে বেসিস সদস্যরা

টিম স্মার্টকে পূর্ণ প্যানেলে রায়ের পক্ষে বেসিস সদস্যরা

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের খাতের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর ২০২৪-২৬ মেয়াদের কার্যনিবার্হী কমিটির নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা কাঁপাল প্যানেল ‘টিম স্মার্ট’। প্যানেলটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বেসিস মেম্বারস গ্র্যান্ড মিট-আপ’। বেসিস সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে বক্তাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে টিম স্মার্টের প্রতি পূর্ণ সমর্থন। একই সঙ্গে উঠে এসেছে আরেকটি আহ্বান, পরিচালক পদে ব্যক্তি নয়, পূর্ণ প্যানেলেকেই ভোট দেওয়ার পক্ষে তারা। কারণ পুরো প্যানেল বিজয়ী হলেই কেবল নির্বাহী কমিটি সুসমন্বিতভাবে কাজ করতে পারবে। একইসঙ্গে অনুষ্ঠানে বেসিস সদস্যরা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে টিম স্মার্টের সঙ্গে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রোববার (৫ মে) রাতে রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে বেসিস নির্বাচন উপলক্ষে টিম স্মার্টের পক্ষে ‘বেসিস মেম্বারস গ্রান্ড মিট-আপ’ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয় অনুষ্ঠান শেষ হয় রাত ১২ টায়। টিম স্মার্টের বেসিস মেম্বারস গ্র্যান্ড মিট-আপ উপলক্ষে র‌্যাডিসন হোটেল জুড়েই ছিল উৎসবের আমেজ। নির্ধারিত সময়ের আগে থেকেই বেসিস সদস্যদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে র‌্যাডিসন প্রাঙ্গণ। প্রার্থী পরিচয় সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুনও ছিল চোখে পড়ার মতো। কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর পরিবেশিত হয় জাতীয় সংগীত। পরপর টিম স্মার্টের থিম সং পরিবেশনের পরে মনোমুগ্ধকর লেজার শোতে অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে টিম স্মার্টের পক্ষে সূচনা বক্তব্য রাখেন টিম লিডার মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল। তিনি বলেন, গত কয়েক দিনে নির্বাচনি প্রচারে নেমে আমার একটা শব্দই সবসময় মাথায় ঘুরছে। সেটি হলো- ‘নো’, অর্থাৎ ‘না’। এখন যে বেসিসকে আমরা দেখছি, সেই বেসিস আমাদের পরিচিত ‘না’। যে বেসিসে অডিট রিপোর্ট নিয়ে এত কিছু হয়, সেই বেসিস আমাদের বেসিস ‘না’। যে বেসিসে সাবেক প্রেসিডেন্টকে ন্যাক্কারজনভাবে অপমান করা হয়, সেই বেসিস আমাদের ‘না’। আমরা এমন বেসিস চাই, যে বেসিসে প্রতিটি সদস্যকে সমানভাবে সম্মান জানানো হবে। আমরা এমন বেসিস চাই, যে বেসিস হবে ব্যবসাবান্ধব।

টিম স্মার্টের পক্ষে থাকার আহ্বান জানিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল বলেন, ২৪০০ সদস্যের বেসিসে এখন পর্যন্ত ২৭ বছরে ইসি কমিতে নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র ৫৮ জন। অর্থাৎ আমরা নতুন নেতৃত্বকে সুযোগ দিতে পারিনি। আমরা বারবার পরিবর্তনের কথা বলছি। আমরা সবার কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, আমরা যে পরিবর্তনের কথা বলছি, সেই পরিবর্তন নিজেদের ভাবনা দিয়ে শুরু করি। আমাদের স্মার্ট টিম একটি তরুণ টিম। আমরা এই তরুণ টিমকে একবার সুযোগ দেই। আমাদের যে ভিশন সেই ভিশন পূরণের জন্য, সর্বোপরি সবাইকে ব্যবসা করার সুযোগ দিতে ব্যবসাবান্ধব একটি স্মার্ট বেসিস গড়ে তুলতে আপনারা টিম স্মার্টকে একবার সুযোগ দেবেন- এটিই সবার প্রতি অনুরোধ।

বেসিসের সাবেক সভাপতি মাহবুব জামান বলেন, আমাকে টিম স্মার্ট ডাকেনি, আমি তাদের কাছে গিয়েছি। সে কারণে আমাকে কী পরিণতি বরণ করতে হয়েছে, আপনারা জানেন। আমাদের সংগঠনে কাউকে সমর্থন করা যাবে না, এটি আমি ভাবতে পারিনি। এই সত্য কথাটি লেখার জন্য আমাকে কী পরিমাণ ভুগতে হচ্ছে, সেটিও আপনারা জানেন। তবে আমার সম্মানটা এতো ঠুনকো না যে কেউ কিছু বললে আমার সম্মানহানি হবে। গত কয়েক দিনে আপনাদের যে ভয়েস দেখেছি, সেটিকে ভোটে রূপান্তর করুন। টিম স্মার্টের পক্ষে আমি আছি, আপনারাও থাকুন।

বেসিসের আরেক সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির বলেন, বেসিসের অবজেকটিভটি মনে রাখতে হবে। এটি কিন্তু ক্লাব না। ২ হাজার ৪০০ সদস্য রয়েছে। তারা ব্যবসা কীভাবে বাড়াতে পারে, সেদিকে বেসিসকে লক্ষ রাখতে হবে। আমাদের আসল উদ্দেশ্য তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কাজের পরিধি বা ব্যবসা বাড়ানো। টিম স্মার্ট সত্যিই একটি স্মার্ট টিম। টিম স্মার্টের ১১ জন যদি নির্বাচিত হয়, তাহলে খুবই খুশি হব। তিনি আরও বলেন, বেসিসের যে নতুন নেতারা আসবেন, তাদের কর অব্যাহতি বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। প্রধান কাজ হচ্ছে অ্যাডভোকেসি ও পলিসি। মেগা প্রকল্পের ছিঁটেফোটাও যদি আইসিটি ইন্ড্রাস্টি নিতে পারে, তাহলে দেখা যাবে ২০০ থেকে ৩০০ কোম্পানি বড় হয়ে যাবে।

বেসিসের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফারহানা এ রহমান বলেন, ১৮ বছর ধরে আমি বেসিসের সদস্য। বোর্ডে থাকি আর না থাকি, আমি বেসিসে কন্ট্রিবিউট করেছি। দুর্ভাগ্যবশত গত আড়াই বছর ধরে আমি বেসিসে যাই না। কেন যাই না? পূর্ববর্তী বক্তারা সে কথা বলে গেছেন। বেসিসের সদস্য হিসেবে বেসিসে যেতে না পারার কষ্ট গত আড়াই বছর ধরে বয়ে বেড়াচ্ছি। টিম স্মার্ট যে প্রতিশ্রতি দিয়েছে, সেটি তো তারা করবেই। তারা ইয়াং টিম। তাদের সঙ্গে কথা বললে বয়স কমে যায়। স্মার্ট টিমের প্রতিটি মেম্বার তাদের নিজ নিজ জায়গায় যোগ্য। টিম স্মার্টের হয়ে পূর্ণ সমর্থন আশা করছি।

বেসিসের বর্তমান বোর্ডের পরিচালক রাশাদ কবির বলেন, বেসিসের কোনো সদস্য কোনো কারণে আক্রমণের শিকার হোক, সেটি আমরা চাই না। দুজনের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে কেবল ব্যক্তি আক্রোশের কারণে। আমরা ব্যক্তিগত আক্রোশ চাই না। কর অব্যাহতি নিয়ে এখন যে মিটিং হচ্ছে, এই মিটিং হওয়ার কথা ছিল দুই বছর আগে। আমাদের ইসির কাজ কি টকশো করা, ইভেন্ট করা? আমরা এগুলো চাই না। সবাইকে অনুরোধ করব টিম স্মার্টকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য। গত কয়েক বছর ধরে আমরা ট্র্যাডিশনালভাবে ফুল প্যানেলকে ভোট দিই না। এই প্রথা থেকে বের হয়ে আসা উচিত। টিম স্মার্টকে পূর্ণ প্যানেলে রায় দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
টিম স্মার্ট থেকে জেনারেল ক্যাটাগরিতে পরিচালক পদে প্রার্থী ব্যাবিলন রিসোর্সেস লিমিটেডের সিইও প্রার্থী লিয়াকত হোসাইন বলেন, মাহবুব জামান ভাইয়ের (বেসিসের সাবেক সভাপতি) সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্য আমরা টিম স্মার্টের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করছি। গত মেয়াদে যারা দায়িত্বে ছিল, তাদের ১০টি প্রতিশ্রুতির কোনোটিই বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দেবো, তা বাস্তবায়ন করব। আমি নির্বাচিত হলে বেসিসের একটি স্থায়ী ভবন ও কল্যাণ তহবিল ফান্ড চালু করার চেষ্টা করব।

জেনারেল ক্যাটাগরিতে পরিচালক পদে আরেক প্রার্থী কনটেন্ট ম্যাটার্স লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এ এস এম রফিক উল্লাহ (সানা) বলেন, বেসিস সবচেয়ে বেশি মেধাবীদের সংগঠন। এই সংগঠনকে সবার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হলে প্রয়োজন অ্যাওয়ারনেস। আমরা কনটেন্ট ম্যাটার্সের মাধ্যমে প্রত্যেকের কাছে কনটেন্ট দিয়ে সম্পৃক্ত হচ্ছি। বেসিসে এই কনটেন্ট বিষয়টিই মিসিং। আমরা যদি সুযোগ পাই, বেসিসকে সরকার থেকে শুরু করে সবার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পারব। আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াব। আমরা লোকাল মার্কেট ও আন্তর্জাতিক মার্কেটে মাথা উচু করে দাঁড়াতে চাই।

রফিক উল্লাহ (সানা) আরও বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন ছিল- বারাক ওবামার নির্বাচন এবং ২০০৮ সালের দিন বদলের সনদের নির্বাচন। বেসিস নির্বাচনে আমরা আবার পরিবর্তনের ডাক নিয়ে এসেছি। জুনিয়র বা সিনিয়রদের উৎসাহ দিলে যাদের ভালো লাগে না, তাদের সঙ্গে আমরা বেসিসে নেই। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমানভাবে এগিয়ে যেতে চাই। আমরা টিম স্মার্ট নির্বাচনের আগেই যখন এত কিছু করেছি, আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, নির্বাচনের পরও আমরা আপনাদের ছেড়ে যাব না। নির্বাচনে জিততে না পারলেও আমরা আপনাদের ছেড়ে যাব না। আমার নিজের সেই বিশ্বাস আছে, টিম স্মার্টের সেই বিশ্বাস আছে, বাকিটা আপনাদের দোয়া।

জেনারেল ক্যাটাগরিতে পরিচালক পদের আরেক প্রার্থী নগদ লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, এই টিমের সবার কিন্তু ক্যাপাসিটি আছে। প্রয়োজন কন্ট্রিবিউট করার মানসিকতা। দুই বছরের জন্য বন্ধুত্বের সম্পর্ক ভুলে গিয়ে টিম স্মার্টের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন। দুই বছরের জন্য আমাদের সুযোগ দিন। যদি আমরা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ না করতে পারি, কথা দিচ্ছি, আমরা আর আপনাদের সামনে ফিরে আসব না।

এলিট আরও বলেন, আমাদের এখানে নতুন স্টার্টআপ বা উদ্যোক্তাদের বড় সমস্যা মূলধন। তারা ব্যাংক থেকে ঋণও পায় না। জুলাইয়ে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক চালু হচ্ছে। আমরা এখানে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল রাখছি এসব উদ্যোক্তাদের জন্য। এর মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ১০০ কোটি টাকার বাজেট বেসিসের সদস্যদের জন্য দেওয়া হবে, যেখান থেকে বেসিস সদস্যরা জামানতবিহীন ঋণ পাবেন।

অ্যাফিলিয়েট পরিচালক প্রার্থী অ্যাডফিনিক্স লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফি হায়দার চৌধুরী বলেন, নতুন যত মেম্বার আসবে, নতুন যত প্রযুক্তি আসবে, সবাই কিন্তু বেসিসের অ্যাফিলিয়েট মেম্বার। এখন ট্র্যাডিশনাল পলিসি দিয়ে ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। ফেসবুক মার্কেটিং বন্ধ হলে সাড়ে তিন লাখ লোক বেকার হবে। ফেসবুক শুধু দেশের বাইরে টাকা পাঠায় না, বিদেশ থেকে রেমিট্যান্সও আসছে ফেসবুকের মাধ্যমে। তাই এর জন্য প্রয়োজন ডোমেইন স্পেসিফিক পলিসি। আমরা নির্বাচিত হলে সেই ডোমেইন স্পেসিফিক পলিসি করব।

আন্তর্জাতিক পরিচালক পদে প্রার্থী দারাজ বাংলাদেশের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার হাসিনুল কুদ্দুস (রুশো) বলেন, আমাদের টিম স্মার্ট খুবই ভালো টিম। আমরা পুরো বেসিসকে পরিবর্তন করে একটি রোডম্যাপে নিয়ে আসব। আমাদেরকে সেই সুযোগ দিন।

অনুষ্ঠানে টিম স্মার্ট প্যানেলের পরিচালক পদে অন্য প্রার্থীরাও বক্তব্য দেন। বক্তব্যে প্রত্যেকেই যার যার জায়গা থেকে বেসিস নিয়ে নিজেদের স্বপ্ন ও প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি বেসিসের অন্য সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরাও বক্তব্য রাখেন। তারা টিম স্মার্টের প্রতি সমর্থন জানানোর পাশাপাশি পূর্ণ প্যানেলে টিম স্মার্ট ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। টিম স্মার্টের প্রতি নিজেদের প্রত্যাশার কথাগুলোও তুলে ধরেন।
নাসা কনরাড চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের ৫ কিশোরের দল ‘নট এ বোরিং টিম’ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম ও সারা বিশ্বে পঞ্চম স্থান অর্জনের গৌরব অর্জন করেছে। কিন্তু তাদের এই অগ্রযাত্রায় বাধা ছিল অর্থের সংস্থান। মাত্র দুই লাখ টাকার জন্য তাদের নাসার পথে যাত্রা থমকে যেতে বসেছিল। শেষ পর্যন্ত টিম স্মার্ট তাদের পাশে দাঁড়ায়। অনুষ্ঠানে সেই দলটির নেতা ত্ব-সীন ইলাহী উপস্থিত হয়েছিলেন। ত্ব-সীনদের দলটিকে টিম স্মার্টের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক আহমেদ মুশফিকা নাজনীনও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। তারা বলেন, টিম স্মার্ট এই দলটির পাশে দাঁড়িয়ে অনন্য নজির স্থাপন করেছে। তারা ভবিষ্যতেও এ রকম তরুণদের পাশে থাকবে, এমন প্রত্যাশার কথাই জানান তারা।

কোক স্টুডিওর শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় পর্দা নামে অনুষ্ঠানের। বেসিসের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধি ছাড়াও প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বেসিসের ২০২৪-২৬ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সামনে রেখে এক ঝাঁক তরুণ উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে মোস্তাফিজুর রহমান সোহেলের নেতৃত্ব গড়ে তোলা হয়েছে প্যানেল ‘টিম স্মার্ট’। স্মার্ট বেসিস গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরব প্রচারে রয়েছে প্যানেলটি। অ্যাডভান্সড ইআরপি বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেলের নেতৃত্বে এই প্যানেল থেকে জেনারেল ক্যাটাগরিতে পরিচালক পদে লড়ছেন কনটেন্ট ম্যাটার্স লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী এ এস এম রফিক উল্লাহ (সানা), নগদ লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, ব্যাবিলন রিসোর্সেস লিমিটেডের সিইও লিয়াকত হোসাইন, ইনুমেন্ট সলিউশন্স লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মঞ্জুরুল আল মামুন, লুজলি কাপল্ড টেকনোলজিসের (এলসিটি সল্যুশন সেন্টার) চিফ অপারেটিং অফিসার সৈয়দা নওশাদ জাহান প্রমি, অ্যানালাইজেন বাংলাদেশ লিমিটেডের দ্য ম্যান অব স্টিল (চেয়ারম্যান) এবং ক্রান্তি অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডের পরিচালক ও সিইও ড. মুহম্মদ রিসালাত সিদ্দীক এবং বন্ডস্টাইন টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর শাহরুখ ইসলাম।

এই প্যানেল থেকে অ্যাসোসিয়েট পরিচালক প্রার্থী ম্যাগনাস সফটওয়্যার ওয়ার্কসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরমান আহমেদ খান, অ্যাফিলিয়েট পরিচালক প্রার্থী অ্যাডফিনিক্স লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফি হায়দার চৌধুরী এবং আন্তর্জাতিক পরিচালক পদে প্রার্থী দারাজ বাংলাদেশের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার হাসিনুল কুদ্দুস (রুশো)।

এবারের বেসিস নির্বাচনে জেনারেল ক্যাটাগরির ১১টি পরিচালন পদে তিনটি প্যানেলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৩ জন প্রার্থী। ৮ মে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজধানীর গুলশান শুটিং ক্লাবে বেসিস নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার এক হাজার ৪৬৪ জন। এর মধ্যে জেনারেল ক্যাটাগরিতে ভোটার ৯৩২ জন, অ্যাসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে ভোটার ৩৮৯ জন, অ্যাফিলিয়েট ক্যাটাগরিতে ভোটার ১৩৪ জন ও আন্তর্জাতিক ক্যাটাগরিতে ভোটার ৯ জন।

spot_img
আরও পড়ুন
- Advertisment -spot_img

সর্বাাধিক পঠিত

spot_img