জুনিয়র সফটওয়্যার একাডেমির চতুর্থ ব্যাচ

samsung 4th batch

তৃতীয় ব্যাচের সফল সমাপ্তির পর দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য জুনিয়র সফটওয়্যার একাডেমির চতুর্থ ব্যাচ শুরু করলো স্যামসাং বাংলাদেশ। এ কর্মসূচিটি প্রতিষ্ঠানটির করপোরেট সামাজিক দায়িত্বের (সিএসআর) অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ কর্মসূচিতে স্যামসাং এর রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (আরঅ্যান্ডডি) ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিবে।

চতুর্থ ব্যাচের জন্য স্যামসাং, এডুকো এবং এসওএস- এর মতো খ্যাতনামা এনজিও’র সাথে অংশীদারিত্ব করেছে। এনজিওগুলোর সহায়তায় স্যামসাং সফটওয়্যার একাডেমিতে গ্রেড ৬ থেকে ১০ পর্যন্ত সুবিধাবঞ্চিত ৩০টি হাই স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক জ্ঞান বৃদ্ধিসহ তথ্যপ্রযুক্তিখাত ও এর নানা বিষয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ানোই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষার্থীরা এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কোডিং, প্রোগ্রামিং, মাইক্রোসফট অফিস, অ্যান্ড্রয়েড ওপেন সোর্স সিস্টেম সহ কম্পিউটার, ইন্টারনেট বিষয়ে সাধারণ শিক্ষা লাভ করতে পারবে।

প্রশিক্ষণে স্যামসাংয়ের ইতিহাসের পাশাপাশি স্যামসাংয়ের পণ্য নিয়েও জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও, বেসিক কোডিং টুল ব্যবহার করে নিজেদের শিক্ষার প্রতিফলন ঘটানোরও সুযোগ পাবে তারা। প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীদের সনদ প্রদান করা হবে।

এ নিয়ে স্যামসাং বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর স্যাংওয়ান ইয়ুন বলেন, “আমি বিশ্বাস করি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রত্যকে শিক্ষার্থীরই আগ্রহ, মেধা ও উদ্যম রয়েছে। এজন্য, স্যামসাং বার্ষিক জুনিয়র সফটওয়্যার একাডেমির আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। এ কর্মসূচি তরুণদের মেধার বাস্তবায়নে এবং প্রযুক্তিখাত নিয়ে তাদের বোঝাপড়া বাড়াতে সহায়তা করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধুমাত্র প্রযুক্তির ব্যবহারই নয়, প্রযুক্তি তৈরিতে শিশুদের ক্ষমতায়নে সহায়তা করে কম্পিউটার কোডিং। শুধুমাত্র, ভিডিও গেম খেলা কিংবা অ্যাপ ব্যবহার করাই নয়, এখন তারা নিজেরাই ভিডিও গেম, ওয়েবসাইট কিংবা অ্যাপ তৈরির স্বপ্ন দেখতে পারে। তারা তাদের এ ভাবনার জন্য এ প্ল্যাটফর্ম পাবে।’

*

*