গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদককে চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে সাধারণ কর্মীদের মানববন্ধন

Grameenphone
গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (জিপিইইউ) সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ শফিকুর রহমান মাসুদকে চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে সাধারণ কর্মীরা মানববন্ধন করছেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর বসুন্ধরায় জিপি হাউজের সামনে কর্মীরা মানববন্ধন করেন। মিয়া মাসুদ গ্রামীণফোনের বিজনেস ডিভিশনের বিজনেস গভর্নেন্স অ্যান্ড ইন্টারনাল কমপ্লায়েন্স বিভাগের সিনিয়র স্পেশালিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মানববন্ধন থেকে জানা যায়, ২৭ অক্টোবর গ্রামীণফোনের মানবসম্পদ বিভাগ থেকে চাকরিচ্যুতির চিঠি দেওয়া হয় যা ওইদিন থেকেই কার্যকর হয়েছে। তার দেনাপাওনা আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলেও চিঠিতে জানানো হয়েছে। যদিও সংগঠনের কেউই বিষয়টি মানতে নারাজ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা অত্যন্ত বেদনাহত ও বিক্ষুব্ধ হয়ে জানাচ্ছি, আমাদের রেজিষ্টার্ড ইউনিয়ন গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মাসুদকে সম্পূর্ণ গায়ের জোরে বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ২৬ ধারা প্রয়োগ করে টার্মিনেট করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত । গ্রামীণফোন তার কর্মীদের হোম অফিসে পাঠিয়ে দিয়ে অনেককে কর্মহীন করে গণ ছাঁটায়ের অপতৎপরতা চালাচ্ছিল যা মিয়া মাসুদ রুখে দেওয়ার জন্য কোম্পানির ভিতরে ও বাইরে, বিভিন্ন সরকারি দফতরে চিঠি দেওয়া ও শ্রম স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিকভাবে যারা কাজ করে তাদের সহযোগিতা চাওয়ায় মিয়া মাসুদকে গণ ছাঁটায়ের প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে সহজভাবে গণ ছাঁটাইয়ের সুবিধার্থে মাস্টার প্ল্যান করে টার্মিনেট করেছে। সকাল ৯টায় শুরু হওয়া মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল হক, সদ্য চাকরিচ্যুত সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ শফিকুর রহমান মাসুদ, যোগাযোগ সম্পাদক জিয়াউর রহমান প্রমুখ। জিয়াউর রহমান বলেন, আমরা আধা ঘণ্টার বেশি সময় মানববন্ধন করে জিপি হাউজে প্রবেশ করি। এখানে আমরা দুপুর ১২টা পর্যন্ত অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে যাবো, আমাদের যৌক্তিক দাবি দাওয়া সংবলিত চিঠি দেব। তিনি জানান, কলকারখানা অধিদফতর করোনার শুরুতে একটা পরিপত্র জারি করেছিলো ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত কোনও কর্মীকে চাকরিচ্যুত না করতে। গ্রামীণফোনও সেই পরিপত্রের নির্দেশনাও মানেনি।

*

*